4 November 2026, 05:59 · Dhaka Independent news discovery
Main navigation
BangladeshPoliticsDistrictCrimeInternationalEconomyBusinessStock MarketSportsEntertainmentTechnologyScienceEducationHealthLifestyleEnvironmentAgricultureJobsReligionTravelOpinion & EditorialFact CheckGood NewsGeneral

৩০ হাজার হাজিকে মেরে জমজম কূপে ফেলে দেয়া হয়

Source: Dainik Purbokone / Religion

সংবাদ থেকে

পবিত্র কাবা ঘর হলো সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে মসজিদুল হারামের মধ্যস্থলে অবস্থিত ইসলামের সবচেয়ে পবিত্রতম স্থাপনা ও সারা বিশ্বের মুসলমানদের কিবলা।

আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলার এ ঘর মুসলিম উম্মাহর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আবেগর প্রতীক। পৃথিবীর যে প্রান্তেই মুসলমানরা থাকুক না কেন, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের সময় তারা এই কাবার দিকে মুখ করেই দাঁড়ায়। এটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের আধ্যাত্মিক এবং ভৌগোলিক ঐক্যেরও প্রতীক। প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ এঘর তাওয়াফের মাধ্যমে ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম পবিত্র হজ ও উমরাহ পালন করেন। অথচ মুসলমানদের সবচেয়ে পবিত্র এ স্থানটি যুগে যুগে রক্তাক্ত হামলা, অবরোধ ও ধ্বংসের সাক্ষী হয়েছে। তাওয়াফরত ও নামাজরত নিরীহ হাজিদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে কাবা চত্বর ও জমজম কূপের পানি।

ইতিহাসজুড়ে পবিত্র হজ ও মক্কা নগরীতে বেশ কিছু বড় হামলা, আক্রমণ ও প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৯৩০ খ্রিস্টাব্দে (৩১৭ হিজরি) মক্কায় কারামাতিদের (Qarmatians) আক্রমণ ও হাজি হত্যাকাণ্ড ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস এবং কলঙ্কজনক অধ্যায়গুলোর একটি। বাহরাইন ভিত্তিক চরমপন্থী ইসমাইলি শিয়া উপদল ‘কারামাতি’ (বা কারমাতিয়ান)-দের নেতা আবু তাহির আল-জান্নাবির নেতৃত্বে এই ভয়াবহ গণহত্যা ও পবিত্র কাবা ঘর লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। মাত্র কয়েকদিনের হামলায় প্রায় ৩০ হাজার হাজীকে হত্যা করা হয় এবং তাদের লাশ জমজম কূপে ফেলে দেওয়া হয়। তারা পবিত্র ‘হাজরে আসওয়াদ’ (কালো পাথর) খুলে তাদের রাজ্যে নিয়ে যায়, যা প্রায় ২২ বছর পর পুনরায় স্থাপন করা হয়। এই ভয়াবহ ঘটনার পর নিরাপত্তার চরম অভাব এবং লুণ্ঠনের কারণে পরবর্তী ১০ বছর (৯৩০-৯৪০ খৃষ্টাব্দ ) মক্কায় হজ পালন প্রায় পুরোপুরি বন্ধ বা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত ছিল।

Original report: Dainik Purbokone

Read the complete and latest report on the publisher’s website.

View Original Article ↗

Latest

Trending