৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:৩৪ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

অস্তিত্ব সংকটে পারকি সৈকত

সূত্র: Dainik Purbokone / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

আনোয়ারা উপজেলার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র পারকি সমুদ্রসৈকত। একসময় বিস্তীর্ণ সোনালি বালুরাশি আর সারি সারি সবুজ ঝাউবনে ঘেরা এই সৈকত ছিল পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। তবে সময়ের ব্যবধানে বদলে যাচ্ছে সেই চেনা দৃশ্য। সৈকতের বিশাল এলাকাজুড়ে পলি ও কাদা জমে ব্যাহত হচ্ছে পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচল। ভাঙন ও নানা অব্যবস্থাপনায় ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে সৈকতের সৌন্দর্যবর্ধক ঝাউবন। সব মিলিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সম্ভাবনাময় এই পর্যটনকেন্দ্র।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সৈকতের বিভিন্ন স্থানে পলি ও কর্দমাক্ত মাটি জমে রয়েছে। এতে পর্যটকদের হাঁটাচলা ও সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে ঝাউবাগানের অনেক গাছের গোড়ার মাটি সরে গেছে। আগের তুলনায় কমেছে ঝাউবনের বিস্তৃতি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ, পরিবেশগত পরিবর্তন ও যথাযথ তদারকির অভাবে ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই পর্যটনকেন্দ্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৩-৯৪ সালে উপকূল রক্ষায় পারকি সৈকতে আর্কিটেকচার পদ্ধতিতে প্রায় ২৩ হাজার ঝাউগাছ রোপণ করে বন বিভাগ। পরবর্তী সময়ে ২০০২ সালে আরও একটি প্রকল্পের আওতায় ঝাউগাছ লাগানো হয়। এসব গাছ বড় হয়ে ওঠার পর সারি সারি ঝাউবন পারকি সৈকতের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিণত হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের ভাঙনসহ নানা কারণে কমতে থাকে ঝাউবনের বিস্তৃতি।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর