৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

খুন-চাঁদাবাজিতে নগরজুড়ে আতঙ্ক

সূত্র: Dainik Purbanchal / অপরাধ

সংবাদ থেকে

রঞ্জু আহমদ ঃ কখনো প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, কখনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন কিংবা জখম, আবার কখনো বাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ। ছিনতাইয়ের মতো অপরাধেও ব্যবহার করা হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র।

অন্যদিকে চাঁদা না পেয়ে ক্লিনিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর হচ্ছে হামেশাই। চাঁদা দিতে না পেরে বন্ধ হচ্ছে প্রতিষ্ঠান। প্ল্যান নিয়েও বাড়ি করা থেকে বিরত থাকছেন অনেকে চাঁদার ভয়ে। প্রতিনিয়ত এসব ঘটনায় উদ্বেগ-আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খুলনা মহানগর ও জেলার বাসিন্দারা। নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

খুলনায় হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি বাড়ছে সশস্ত্র হামলার ঘটনাও। রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী, নারী, শিক্ষক, স্কুলছাত্রী ও সাধারণ পথচারীরাও গুলির শিকার হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর কথা বললেও একের পর এক সহিংস ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে। বরং যখনই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে তখনই তাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে সন্ত্রাসীদের তরফ থেকে। সম্প্রতি আইজিপির খুলনা অবস্থানকালে যেমন তেরখাদায় গুলির ঘটনা ঘটে তেমনি তাঁর প্রস্থানের পরই ঘটে আরও কয়েকটি অঘটন। এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যেদিন খুলনা-বাগেরহাট সফর করেন সেদিনও খুলনায় দু’টি খুনের ঘটনা ঘটে। এমনকি মায়ের সামনে মেয়েকে ‘আপা কেমন আছেন’ বলেই গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার মতো ঘটনাও ঘটে।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbanchal

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর