৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৯ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

খুলনার মানিকতলা সাইলো থেকে গম পাচারের চেষ্টা : ইউনিয়ন সভাপতি আরিফসহ আটক ৫

সূত্র: Daily Probaha / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মানিকতলা খাদ্য গুদামের অভ্যন্তরে সোমবার ( ২ নভেম্বর) রাতে সাইলো থেকে দুই ট্রাক গম কোনো ইনভয়েস ছাড়া অবৈধভাবে ট্রাক লোড করে বের করার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনার সত্যতা পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ তিনজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন – ১. মহেশ্বরপাশা খাদ্য গুদাম ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আরিফ হোসেন, ২. মেহেদী হাসান ও ৩. কামরুজ্জামানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃতদের ৫৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে এবং পরবর্তীতে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে। এ ঘটনায় মহাসড়কের দু’পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পথচারী ও যাত্রীদের তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হয়। পরবর্তীতে দৌলতপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেনের মধ্যস্থতায় শ্রমিকরা সাময়িক অবরোধ স্থগিত করেন। তবে ইউনিয়ন সভাপতিকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচি ও মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সাথে শ্রমিকরা সভাপতি আরিফ হোসেনের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সকাল থেকেই মানিকতলা খাদ্য গুদামে সব ধরনের লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে খাদ্য শস্য খালাস ও সরবরাহ প্রক্রিয়া পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।

সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে মানিকতলা খাদ্য গুদামের অভ্যন্তরের সাইলো থেকে দুই ট্রাক গম কোনো ধরনের বৈধ ইনভয়েস ছাড়া বের করার চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি সাইলো কর্তৃপক্ষ নজরে আসলে এবং ট্রাক দুটি জব্দ করা হয় এবং ওই ঘটনায় ইউনিয়ন সভাপতি আরিফসহ আরো দু’জন আটক করে পুলিশ। ইউনিয়ন সভাপতি আরিফ হোসেনের গ্রেপ্তারে খবরে মঙ্গলবার চালক ও শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং সড়ক অবরোধ করে। শ্রমিকদের অপরাধের মুখে পড়ে একই দিন দুপুরে খাদ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, সাইলোর কর্মকর্তা, ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিএনপি নেতৃবৃন্দ সার্বিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলাপ-আলোচনা করেন। দীর্ঘ বৈঠকের পর পুলিশ ওই ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকায় নতুন কওে মো. রাজিব ও মো. ইমরান নামের ব্যক্তিকে আটক করে।

এদিকে ইউনিয়ন সভাপতি আরিফকে আটক, অন্যদিকে নতুন করে আরো দুই ব্যক্তিকে আটক আটকের পর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ শুরু করে। ঘটনার এক পর্যায়ে আটক আরিফের পরিবার, সাইলো সংশ্লিষ্টরা, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ , স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ আলোচনা শেষে দীর্ঘ সময় পর পুলিশ নতুন দুই আসামিকে নিয়ে খাদ্য গুদাম থেকে বের হন।

মূল প্রতিবেদন: Daily Probaha

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর