পরিবেশের প্রতি অঙ্গীকার রেখেই ব্যবসার চেষ্টা চলছে
সংবাদ থেকে
# সুন্দরবনসংলগ্ন রিসোর্টগুলোর ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট প্রতিমন্ত্রী #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোর পরিবেশগত প্রভাব ও কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন শেখ ফরিদুল ইসলাম। তার মতে, রিসোর্টগুলো পরিবেশের প্রতি অঙ্গীকার রেখেই ব্যবসা পরিচালনার চেষ্টা করছে। স্থাপনাগুলো নির্মাণে কাঠ ও গোলপাতার মতো প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং ব্যবস্থাপনাও মোটামুটি পরিবেশবান্ধব রাখার চেষ্টা রয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশনের আওতাধীন সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি রিসোর্ট পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি অরণ্যছায়া, বনবিবি, সুন্দরী, অরণ্যবাড়ি ও জঙ্গলবাড়ি রিসোর্টের স্থাপনা, ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশগত প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি রিসোর্টগুলোর কার্যক্রম স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও ব্যবসায়ীদের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা জানতে স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, তারা যে ব্যবসা করছে, তা পরিবেশের প্রতি কমিটমেন্ট (অঙ্গীকার) রেখেই পরিচালনার চেষ্টা করছে। স্থাপনাগুলোতে কাঠ ও গোলপাতার ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবস্থাপনাও পরিবেশবান্ধব করার চেষ্টা রয়েছে।’ তিনি বলেন, রিসোর্টগুলোর স্থাপনা নির্মাণে কংক্রিটের ব্যবহার কিংবা সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর কোনো কর্মকা- হচ্ছে কি না, সেটি দেখতে তিনি সরেজমিনে এসেছেন। বিশেষ করে শব্দদূষণ, রাতে উচ্চ শব্দে গানবাজনা, বন্য প্রাণীর নিরাপত্তা এবং সুন্দরবনের নীরবতা রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সুন্দরবনের অভয়ারণ্যের কাছাকাছি এলাকায় উচ্চ শব্দ হলে বন্য প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া অবৈধ কর্মকা-, বন্য প্রাণী শিকার কিংবা রাতের বেলায় শব্দদূষণের মতো কোনো বিষয় পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট রিসোর্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিসোর্টগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই রিসোর্ট পরিচালনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে। জেনারেটরের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হবে, কারণ এর শব্দ সুন্দরবনের প্রাণীদের জন্য বিরক্তি ও আতঙ্কের কারণ হতে পারে। প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন। তবে রিসোর্টগুলোতে কোনো নেতিবাচক কর্মকা-ের বিষয়ে তারা অভিযোগ করেননি।
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗
