বিরূপ আবহাওয়ায় ক্ষতির মুখে রাজশাহীর পানচাষিরা

সংবাদ থেকে
রাজশাহী: দেশে রাজশাহীর পানের নাম ও চাহিদা বরাবরই তুঙ্গে। জেলার দুর্গাপুর, বাগমারা, মোহনপুর, পুঠিয়া ও তানোরে পান চাষির সংখ্যা বেশি। তবে পরিবেশ ও আবহাওয়াজনিত বিপর্যয় ও বিরূপ প্রভাবের কারণে পান চাষিরা ভুগছেন নানান সমস্যায়। বাজারে পানের আকার-আকৃতি ও সৌন্দর্যের ওপর নির্ভর করে পানের মূল্য নির্ধারিত হয়। তবে গত কয়েক বছর যাবৎ পানে পচন ও নতুন নতুন অজানা রোগ বালাইয়ের আক্রমণ, সময় মতো সারের অপ্রাপ্তি, কীটনাশক ও অন্যান্য উপকরণের বাড়তি মূল্য প্রদানের জন্য বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানান প্রান্তিক পান চাষীরা। এতে বাজারে ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না তারা।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দিতে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসা করছেন আড়তদার জয়নাল আবেদীন। পানের বর্তমান বাজারদর সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাজশাহীর পাইকারি বাজারে ৬৪টি পানে এক বিড়া ধরা হয়। আর ৩২ বিড়ায় হয় এক পোয়া। এক পোয়া পানের পাইকারি বাজার দর ২৮০০ থেকে ৩৬০০ টাকা। রাজশাহী বাজারে চার ধরনের পান দেখা যায়- ভুড়ভুড়ি (ছোট পান), মাজরা পান, মোটা পান ও হাই মোটা পান (সবচেয়ে বড় পান বা ভালো পান)। ভুড়ভুড়ি পান বিক্রি হয় হাজার থেকে ১৫০০ টাকায়, মাজরা ১৮০০ থেকে ২৭০০ টাকায় আর মোটা পান বিক্রি হয় ২৮০০ থেকে ৩৮০০ টাকা পোয়া দরে বিক্রি হয়। তবে এর চাইতেও ভালো পান হচ্ছে হাই-মোটা পান বা সবচেয়ে বড় পান; যা বিক্রি হয় ৩৬০০ থেকে ৪৫০০ টাকায়।’
খুচরা বাজার ও চাষির ব্যাপারে জয়নাল জানান, ‘মাস দুয়েক আগে বাজার খারাপ ছিল। তবে এখন ভালো। পান দাম কিছুটা বেড়েছে। দু’মাস আগে পানের দাম বিড়া প্রতি পানের দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা বিড়া হয়েছে। ভালো পানের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। তবে কৃষকের খরচ তুলতে হলে ও লাভের মুখ দেখতে হলে এই দাম বা বাজার মূল্য আরও বৃদ্ধি পেতে হবে।’
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗