প্রাতিষ্ঠানিক অধঃপতন, বিচারহীনতার কালো ছায়া বনাম আপসহীন সাংবাদিকতার ঘোষণাপত্র

সংবাদ থেকে
সম্প্রতি ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও সাহসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জয়নাল ভাইয়ের বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের ঘরে কিছু ব্যক্তিকে উসকানিমূলক মন্তব্য করতে দেখা যাচ্ছে। তাঁদের এই অপতৎপরতার পেছনে কী ধরনের মানসিকতা কাজ করছে, তা নিয়ে একটু গভীরভাবে ভাবা প্রয়োজন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে যাঁরা কথা বলেন, তাঁদের নিয়ে যারা আজ প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? সাধারণ মানুষ কি তা বুঝতে অক্ষম?
বিপদে উপায়ান্তর না দেখে দিশেহারা একটি পরিবার জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করল। পুলিশ অপহরণকারী ও অপহৃত ব্যক্তি উভয়কেই উদ্ধার করল। অথচ উদ্ধার-পরবর্তী সময়ে থানায় আটক রাখার পরদিন দুজনকেই একই মামলায় আসামি করে সরাসরি কারাগারে পাঠানো হলো। একটু স্বাভাবিক ও মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভেবে দেখুন তো, অপহৃত ব্যক্তির পরিবার কিংবা স্বজনেরা যদি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পুলিশের পকেটে কিছু অর্থ গুঁজে দিতে পারতেন, তাহলে কি অপহৃত ব্যক্তিকে এভাবে কারাগারে যেতে হতো? এই নিষ্ঠুর ও নগ্ন বাস্তবতাই আজ আমাদের পুলিশ বাহিনীর একাংশের প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করে দেয়।
বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তারই পরিপ্রেক্ষিতে জয়নাল ভাই কোনো রাখঢাক না করে প্রকৃত সত্যকে প্রায় নগ্নভাবেই জনসমক্ষে তুলে ধরেছেন। জাতি কি সাংবাদিকদের কাছে এমন সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকাই প্রত্যাশা করে না?
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗