ক্ষমার এক জাদুকরী শব্দ ‘স্যরি’

সংবাদ থেকে
আমাদের প্রতিদিনের কথোপকথনে সবচেয়ে সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলোর একটি হলো ‘স্যরি’ বা দুঃখ প্রকাশ। সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি মেটাতে কিংবা ব্যস্ত রাস্তায় কারও সাথে আচমকা ধাক্কা লাগলে মুখ ফুটে বেরিয়ে আসে এই একটিমাত্র শব্দ। এটি কেবল কয়েকটি অক্ষরের সমষ্টি নয়, বরং এটি মানুষের আত্মিক বিনয়, সহমর্মিতা এবং সামাজিক মেলবন্ধনের এক অনন্য অস্ত্র। কিন্তু জীবনযাত্রার গতি যত বাড়ছে, এই ছোট্ট শব্দটির ব্যবহারও ততটাই বহুমুখী ও জটিল হয়ে উঠছে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আন্তরিকভাবে ‘স্যরি’ বলা কেবল অপর মানুষকে শান্ত করার উপায় নয়, বরং এটি নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত ইতিবাচক। যখন একজন মানুষ নিজের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করে, তখন মস্তিষ্কে অপরাধবোধজনিত যে নেতিবাচক মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়, তা অনেকটাই হালকা হয়ে যায়। এটি মানুষের ভেতরের ‘অহং’ বা ইগো দূর করে এবং অন্যের অনুভূতিকে সম্মান জানানোর মানসিকতা তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দম্পতি বা বন্ধু একে অপরের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইতে পারেন, তাদের সম্পর্কের স্থায়িত্ব এবং গাঢ়তা অন্যান্য সম্পর্কের তুলনায় বহুগুণ বেশি হয়।
লাইফস্টাইলের দিক থেকে বিবেচনা করলে ‘স্যরি’ বলা একটি উচ্চমার্গীয় শিষ্টাচার। দৈনন্দিন নানা পরিস্থিতিতে নিজের ভদ্রতা ও সংবেদনশীলতা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম এটি। তবে হাল আমলের মনোবিজ্ঞানীরা একটি নতুন সমস্যার কথা তুলে ধরছেন, যাকে বলা হয় ‘ওভার-অ্যাপোলজাইজিং’ বা অতিরিক্ত দুঃখ প্রকাশের প্রবণতা।
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗