৬ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:০৩ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ, কেন্দ্রে থাকতে হবে মানুষকে

সূত্র: Sarabangla / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ও ডিজিটাল উদ্ভাবন মানুষের কাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে। একসময় যেসব কাজ সম্পন্ন করতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত জ্ঞানের প্রয়োজন হতো, সেসব কাজের অনেক কিছুই এখন প্রযুক্তির মাধ্যমে করা সম্ভব হচ্ছে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এসব প্রযুক্তির সম্ভাবনা অসাধারণ। কিন্তু একই সঙ্গে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুফল কারা পাবে? কারা কর্মসংস্থানের সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে? প্রযুক্তির বিকাশ কীভাবে মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াবে, মানুষের ভূমিকা কমিয়ে দেবে না?

এসব প্রশ্নকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইউএন স্কিলস ফেস্ট ২০২৬’। ‘পিপল অ্যাট দ্য সেন্টার’ বা ‘মানুষই কেন্দ্রে’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উৎসবের মূল লক্ষ্য ছিল পরিবর্তনশীল কর্মজগতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা, নেতৃত্ব, যোগাযোগ, সৃজনশীলতা, সহযোগিতা এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা। জাতিসংঘের ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অপারেশনাল ট্রেনিং সার্ভিস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নিউরোলিডারশিপ ইনস্টিটিউটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ডেভিড রক এবং লেখক ও উদ্যোক্তা সেথ গডিনের মতো ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

এই আয়োজনের মূল বার্তা শুধু জাতিসংঘের কর্মীদের জন্য নয়; বরং বিশ্বব্যাপী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির অগ্রগতি নিজে থেকে মানব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে না। প্রকৃত অগ্রগতি তখনই অর্থবহ হবে, যখন প্রযুক্তি মানুষের চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা, মর্যাদা ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর