মাদক ও কিশোর অপরাধ রুখতে বই হোক বিকল্প

সংবাদ থেকে
পত্রিকার পাতা খুললেই কিংবা টেলিভিশনে খবর দেখতে বসলেই ভেসে আসে কিশোর অপরাধের নানা খবরাখবর। প্রতিনিয়ত এ সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। নানাবিধ কারণ থাকতে পারে উঠতি বয়সী এসব কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার। তবে এই সময় কিশোর অপরাধের দৌড়াত্ম থামাতে না পারলে ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।
কোনো সন্ধ্যার দৃশ্য কল্পনা করুন। মাঠে খেলার বদলে কয়েকজন কিশোর রাস্তার মোড়ে বসে আছে। কারও হাতে মুঠোফোন, কেউ অকারণে সময় কাটাচ্ছে, আবার কেউ জড়িয়ে পড়ছে অনাকাঙ্ক্ষিত সঙ্গের সঙ্গে। অথচ একই গ্রামে যদি একটি পাঠাগার থাকত, যেখানে বই পড়ার পাশাপাশি গল্প, বিতর্ক, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ থাকত, তাহলে সেই সন্ধ্যার চিত্র কি কিছুটা বদলাতে পারত না? প্রশ্নটি কেবল পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নয়, বরং আমাদের কিশোরদের জন্য কী ধরনের সমাজ ও পরিবেশ তৈরি করছি, তা নিয়েও।
বাংলাদেশে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার এখন উদ্বেগের বিষয়। অপরাধের পরিসংখ্যান, মাদকাসক্তির ঝুঁকি এবং তরুণদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা আমাদের একটি কঠিন বাস্তবতার সামনে দাঁড় করিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজন প্রতিরোধমূলক সামাজিক উদ্যোগ। গ্রামে গ্রামে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা এবং কিশোরদের পাঠাভ্যাসে মনোযোগী করে তোলা হতে পারে সেই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗





