৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২:৫৫ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

অপরুপ দীঘিনালার হাজাছড়া বিল : মন জুড়াচ্ছে দর্শণার্থীদের

সূত্র: Pahar Barta / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

‘শাপলা’ আমাদের জাতীয় ফুল হলেও বছরের নির্ধারিত সময় ছাড়া এই ফুলের দেখা মেলা ভার। দেশের কম বেশি সব জায়গায় এই সময়ে শাপলার দেখা মিললেও একসাথে দিগন্ত-বিস্তৃতভাবে চোখ জুড়ানো শাপলার বিল এখন খুবই বিরল। তেমনই একটি জলমগ্ন বিলে লাল শাপলার রাজ্য গড়ে উঠেছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায়। উপজেলা সদর থেকে যে কোন যানযোগে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে মেরুং বাজার। সেখান থেকে পূর্বদিকে মাইনী নদী পেরিয়ে আধা কিলোমিটার গেলেই হাজাছড়া বিল। কাপ্তাই বাঁধ অধিকৃত এই বিলের বিশ একরজলমগ্ন অংশের পাঁচ/সাত একরজুড়ে চোখে পড়বে শুধু শাপলা আর শাপলা।

বছরের বেশিরভাগ সময় জলমগ্ন থাকে বিধায় স্থানীয়দের কাছে এটি ‘ছোট হাজাছড়া ডেবা’ নামে পরিচিত। লাল শাপলার অপরূপ সৌন্দর্যে বিলটি এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় কোনো শিল্পীর নিপুণ হাতে তৈরি লাল-সবুজের নকশি কাঁথা। শাপলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় ও উপজেলাবাসী। বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিলে শাপলা ফুল ফোটে। প্রায় ২০ বছর ধরে এখানে শাপলা ফুল ফুটলেও গত দুই বছর ধরে বিলটি দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। চলতি বছর দর্শনার্থীদের আগমন বেড়েছে দ্বিগুণ। শাপলা’র সাথে সাথে এই বিলে নানা রঙের-বর্ণের পাখি-পোকামাকড়-প্রজাপতিরও সমাগম ঘটে। নিরিবিলি সময়ে অতিথি পাখিও দেখেছেন এলাকাবাসীরা।

মূল প্রতিবেদন: Pahar Barta

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর