‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ’ বাংলাদেশের নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার দিন

সংবাদ থেকে
প্রবাহ রিপোর্ট : নতুন এক দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পরপরই এই নবীন দেশে চেপে বসে একদলীয় বাকশালি শাসনের অভিশাপ। দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে মৃত্যুর মুখে পতিত হয় হাজারো মানুষ। সঙ্গে ছিল রক্ষীবাহিনীর সন্ত্রাস ও নির্মম নির্যাতন। আজ শনিবার সেই ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। বাংলাদেশের নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার দিন।
সদ্য স্বাধীন দেশে মানুষ দুঃশাসন ও দুর্ভিক্ষে দিশেহারা। অর্থনৈতিক কর্মকা- প্রায় স্থবির। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জাসদের সহিংস রাজনীতি। রাজনীতির এই ক্রান্তিকালে দেশের অস্তিত্ব পড়ে হুমকির মুখে। চারদিকে হতাশা, ভয়, আতংক; তখনই ১৯৭৫ সালের নানা ঘটনার পরিক্রমায় সামনে চলে আসে ৭ নভেম্বর।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব বিশাল। নির্দিষ্ট কোনো সময়ের মাপকাঠিতে ৭ নভেম্বরকে বিবেচনা করা যাবে না। দেশের রাজনীতিতে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশ আজকে যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে তা ৭ নভেম্বর সংঘটিত হয়েছিল বলেই সম্ভব হয়েছে।
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗