যে ইতিহাস কেউ লিখবে না

সংবাদ থেকে
সেদিন ঢাকায় গভীর রাত নামছিল বৃষ্টির ভেতর দিয়ে। রাতের জানালার কাচ, বারান্দার গ্রিল আর ভবনের কার্নিশে একটানা শব্দ হচ্ছিল। জুলাইয়ের বৃষ্টি। শহর তখন প্রায় নিস্তব্ধ। দূরে মিরপুর রোডে দু-একটি বাস ছুটছিল। ফুটপাতের চায়ের দোকানে আগুন জ্বলছিল। শ্রাবণের বৃষ্টি ঢাকাকে তার নিজের কাছ থেকে কিছুক্ষণের জন্য আড়াল করে দেয়। ধুলো ধুয়ে যায়। দেয়ালের পুরোনো পোস্টারগুলো আরও পুরোনো দেখায়। রিকশার ঘণ্টি বৃষ্টির শব্দে হারিয়ে যায়। ফুটপাতের মানুষ পলিথিনের নিচে শরীর গুটিয়ে নেয়। রাত অনেক হয়েছে। জানালার কাচে বৃষ্টির ফোঁটা এসে ভাঙছে। দূরে কোনো একটি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন মাঝে মাঝে রাতের নীরবতা কেটে দিচ্ছে। শহরের আলো বৃষ্টির পর্দার ভেতর অস্পষ্ট হয়ে আছে।
আমি তখন টেবিলে বসে পুরোনো সংবাদপত্রের একটি ফাইল পড়ছিলাম। ইতিহাস নিয়ে লিখতে বসলে এমন হয়। একটি পুরোনো খবর আমাকে আরেকটি খবরের কাছে নিয়ে যায়। একটি মৃত্যু ফিরিয়ে নেয় তার জন্মের কাছে। একটি ভুলে যাওয়া গ্রামের ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে কখনো পুরো একটি সময়ের মুখোমুখি হয়ে পড়ি।
আমি বহু বছর সাংবাদিকতা করেছি, পরে উন্নয়নকর্মী হিসেবে মানুষের সঙ্গে কাজ করেছি। কখনো বস্তির মানুষের সঙ্গে বসেছি, কখনো উদ্বাস্তু মানুষের জীবন দেখেছি, কখনো শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করেছি, কখনো এমন পরিবারের সামনে দাঁড়িয়েছি যাদের কাছে একটি ছোট সহায়তাও ছিল বেঁচে থাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ। বুঝেছি, একটি প্রতিবেদনের সংখ্যার পেছনেও থাকে একজন মানুষের ক্ষুধা, অপেক্ষা কিংবা দীর্ঘশ্বাস।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗




