মুখোশের আড়ালে মানুষ নাকি মানুষের আড়ালে মুখোশ?

সংবাদ থেকে
খালেদ মাস্টারের মহানুভবতার প্রথম পর্ব, রাষ্ট্রীয় দলিলের ইতিহাসে এক অনন্য ও অদ্বিতীয় দৃষ্টান্ত
এই পক্ষের মোট ১৫ জনের পৃথক পৃথক ধারনকৃত বক্তব্য ও মন্তব্য সম্মিলিতভাবে গ্রহণ না করার ফলে তদন্তের প্রয়োজন এখানে একেবারেই তৈরি হয়নি! কারণ, সাহসী, সাবলীল, সকলের বক্তব্যের মধ্যে গড় অমিলই (on the record) ৬৫ শতাংশ! সেই বক্তব্যের ন্যারেটিভ নিচে উপস্থাপন করা হলো-
৮২ বছরের জীবনের ওই পড়ন্ত বেলায় এসে রাষ্ট্রপ্রদত্ত ‘শত্রু এক ধরনের ধিক্কার তার কানে পরোক্ষভাবে কেউ ক্লান্তিহীন ভাবে বিগত ২২ বছর যাবৎ শুনিয়ে চলেছে! অদৃশ্য ও অভিশপ্ত তকমায় চরমভাবে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছিল নির্মল চন্দ্র আইচের নিঃসঙ্গ জীবন। পরিবারের কোনো সদস্য তখন তাঁর পাশে ছিলেন না; তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ একা। চারপাশ ঘিরে ছিলেন কেবল আব্দুল খালেক মাস্টার আর তাঁর প্রতিচ্ছবি মতো কিছু সেবক। তাঁদের সার্বক্ষণিক সঙ্গ, জীবনযাপনের প্রতিটি প্রয়োজনে পরিবারের সদস্যের মতো পাশে থাকা এবং বৃদ্ধের প্রতি অতিরিক্ত যত্ন-আত্তি ছিল তাঁদের সীমাহীন পারিবারিক দায়িত্ববোধের এক অনন্য পরিচয়। কিন্তু সেই যত্নের মধ্যেও বৃদ্ধের অন্তরে তখন একটাই আকুতি, রাষ্ট্রের এই রোষানল থেকে তাঁর এই ভিটেমাটি ও পরকালের শঙ্কা কীভাবে দূর হবে?
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


