খুলনায় ফের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দুর্বৃত্তদের হামলা-ভাঙচুর

সংবাদ থেকে
স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনায় একের পর এক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার নগরীর খানজাহান আলী রোডের নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক এ- কনসালটেশন সেন্টারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
এ সময় রিসেপশনে থাকা এক নারীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ বলছে, নুর আজিম নামের এক ব্যক্তির অনুসারী একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ এ ঘটনায় জড়িত। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সুলতানা হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে অবস্থিত নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরা ৮-৯ জন যুবক হঠাৎ ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা চায়নিজ কুড়াল দিয়ে রিসেপশন কাউন্টার, এসি ও বিভিন্ন আসবাবপত্রে ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে রিসেপশনে থাকা এক নারীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে খুলনা সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে ফোন করে দুর্বৃত্তরা জানতে চায়, তিনি নুর আজিমকে চেনেন কি না। এরপরই তারা এসে প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর চালায়। তিনি বলেন, হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই নুর আজিমের অনুসারী একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে এবং অভিযান চালানো হচ্ছে। এর আগে গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর শামসুর রহমান রোডের রংধনু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আব্দুল্লাহ প্যাথলজিতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরও আগে ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাবুখান রোডের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। একই প্রতিষ্ঠানের সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণির সন্ধানী মেডিকেয়ার হাসপাতালেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবির অভিযোগ শোনা গেলেও মালিকপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগে নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড মোড়ের ঐতিহ্যবাহী চয়নিকা ফার্মেসিও গত ২৯ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে।
একের পর এক চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনার স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


