9 November 2026, 01:46 · Dhaka Independent news discovery
Main navigation
BangladeshPoliticsDistrictCrimeInternationalEconomyBusinessStock MarketSportsEntertainmentTechnologyScienceEducationHealthLifestyleEnvironmentAgricultureJobsReligionTravelOpinion & EditorialFact CheckGood NewsGeneral

নিরপরাধ কারাবন্দি আলমাসকে মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

Source: Daily Probaha / Bangladesh

সংবাদ থেকে

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ দুই যুগ আগের একটি অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মো. আলমাছের পরিবর্তে গ্রেফতার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে থাকা নিরপরাধ মো. আলমাসকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন। নামের মিলের কারণে প্রকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবর্তে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছেÑএমন অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতে রিট করেন কারাগারে থাকা আলমাস। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে কারাগারে থাকা আলমাস এবং দ-িত ব্যক্তির পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। আদেশে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তাঁর তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অনুসন্ধান (তদন্ত) পরিচালনা করতে বলা হয়। আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা আলমাস এ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন। প্রকৃত আসামি আলমাছ বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। আগের ধারাবাহিকতায় রিটটি আজ আদালতের কার্যতালিকায় আদেশের জন্য ওঠে। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ ও আবদুল্লাহ আবু সাঈদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিহাব উদ্দিন খান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দীন মো. হানিফ।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে ভুল ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পেছনে তিনটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো দুই ব্যক্তির গ্রামের নামের সাদৃশ্য, বাবার নামের মিল এবং ২০০২ সালের মামলার নথিতে লেখা ঠিকানার ভুল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকৃত সাজাপ্রাপ্ত আলমাছের আদি গ্রাম ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধোয়াইর। অন্যদিকে, গ্রেফতার হওয়া আলমাসের পরিবারের আদি গ্রাম একই উপজেলার দক্ষিণ বাহ্রা ডাকঘরের অধীন বাহ্রা। ২০০৭ সালের আগে তারা সেখানে বসবাস করতেন। নদীভাঙনের কারণে ওই বছর তাঁদের পরিবার সুন্দরীপাড়ায় চলে যায়।

Original report: Daily Probaha

Read the complete and latest report on the publisher’s website.

View Original Article ↗

Related News

Latest

Trending