শরতের শেষ

সংবাদ থেকে
শহরের ব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনে যখন স্নিগ্ধার দমবন্ধ হয়ে আসছিল, তখন একদিন সব ছেড়ে পালিয়ে এসেছিল কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরের এক শান্ত গ্রাম চরলক্ষ্যায়। ওর নানাবাড়িটা ঠিক নদীর কোল ঘেঁষে। ইটের ওপর ইট সাজানো শহরের কোলাহল থেকে দূরে, এই গ্রামে এখন রাজত্ব করছে ঋতুরানি শরৎ। আকাশের রংটা ঠিক যেন ধুয়ে নেওয়া গাঢ় নীল। তুলোর মতো ধবধবে সাদা মেঘগুলো ভেসে বেড়াচ্ছে কোনো তাড়া ছাড়াই। বাতাসে হালকা একটু হিমেল আমেজ, যেটা জানান দেয় বর্ষার দিন শেষ, এবার প্রকৃতির এক নতুন উদ্যাপনের পালা।
সেদিন অলস বিকেলে নদীর ঘাটে একলা দাঁড়িয়ে ছিল স্নিগ্ধা। হাতে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা আদা চা। শরতের এই সময়টা এলেই ওর মনটা কেমন যেন চঞ্চল হয়ে ওঠে। চারদিকের ওই অদ্ভুত শান্ত আলো, কাশবনের দোলা আর নদীর শান্ত জল, সব মিলিয়ে বুকের ভেতরটা হু-হু করে ওঠে। ঠিক তখনই নদীর ঘাট ঘেঁষে একটা নৌকা এসে থামল। নৌকা থেকে নেমে এলো এক তরুণ। কাঁধে ক্যামেরা ঝুলছে, পরনে সাদা টি-শার্ট। ছেলেটার নাম সাইমন। সে একজন ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী, শরতের রূপ ক্যামেরাবন্দি করতে এসেছে এই গ্রামে।
ঘাটে স্নিগ্ধাকে দেখে সাইমন মৃদু হেসে বলল, ‘আচ্ছা, মেঘেদের কি কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানা থাকে?’
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


