সবজিতে সমৃদ্ধ ফটিকছড়ির মুজরি চর

সংবাদ থেকে
ধুরুং খালের বুকজুড়ে সবুজের সমারোহ। কোথাও মাটিতে ছড়িয়ে আছে শসার লতাপাতা, কোথাও মাচায় ঝুলছে বরবটি ও ঝিঙা। আবার কোনো জমিতে দুলছে লাউ, শিম, চিচিঙ্গা ও বেগুনের গাছ। পাশাপাশি চাষ হচ্ছে পটলসহ নানা জাতের সবজি। খালের বুকে জেগে ওঠা এই চর এখন কয়েক শ কৃষকের জীবিকার অন্যতম অবলম্বন। উর্বর পলিমাটিতে ফসল ফলিয়ে ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ও পাইন্দং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ চর স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘মুজরি চর’ নামে। হালদা নদীর প্রধান শাখা খাল ধুরুংয়ের বুকে জেগে ওঠা প্রায় ১৬০ হেক্টর আয়তনের এ চরে ২৪০ থেকে ২৫০ জন কৃষক সবজি চাষ করেন। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে খালের পানি কমে এলে চরের বিস্তীর্ণ জমিতে শুরু হয় সবজি উৎপাদনের কর্মযজ্ঞ।
মুজরি চরের মাটি উর্বর হওয়ায় এখানে সবজি চাষের সম্ভাবনাও বেশি। তিন দিক দিয়ে খালের পানি প্রবাহিত হওয়ায় জমিতে পলি জমে মাটির উর্বরতা বাড়ে। এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আগাম সবজি চাষ করছেন কৃষকেরা। মৌসুমের শুরুতে বাজারে সবজির সরবরাহ কম থাকায় ভালো দাম পাওয়ার প্রত্যাশা তাঁদের। তবে সবুজে ভরা মাঠের আড়ালে রয়েছে কৃষকদের নানা দুশ্চিন্তা। উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দাম পাওয়া, কৃষি উপকরণের বাড়তি মূল্য, সেচের সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় কৃষি সহায়তার অভাব তাঁদের অন্যতম সমস্যা। ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় অনেক সময় উৎপাদন খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়ে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


