
হ্যাকারের নজর থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে কখন, কোথায় কী করছেন, কোন ওয়েবসাইট দেখছেন কিংবা কোন অ্যাপ ব্যবহার করছেন এসব তথ্যের কিছু অংশ বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হতে পারে। কুকিজ, ট্র্যাকিং পিক্সেল ও ডিভাইস শনাক্ত করার পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য পেতে পারে। অন্যদিকে, অ্যাপের অতিরিক্ত পারমিশন, দুর্বল পাসওয়ার্ড কিংবা অসুরক্ষিত নেটওয়ার্ক ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
শুধু ব্রাউজিং হিস্ট্রি মুছে ফেলা বা ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করলেই এসব ঝুঁকি থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকা যায় না। তবে ফোন ও ব্রাউজারের কিছু সেটিংস পরিবর্তন এবং সচেতন অভ্যাসের মাধ্যমে তথ্যের সুরক্ষা বাড়ানো সম্ভব।
ওয়েবসাইটগুলো কুকিজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর পছন্দ, লগইন অবস্থা ও ব্রাউজিং-সংক্রান্ত কিছু তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। তাই ব্রাউজারের প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে থার্ড-পার্টি কুকিজ সীমিত বা বন্ধ করার সুযোগ থাকলে তা ব্যবহার করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো কুকিজ ও সাইটের ডাটাও মুছে ফেলতে পারেন। পাশাপাশি, গোপনীয়তাকে গুরুত্ব দেয় এমন সার্চ ইঞ্জিন বেছে নিন এবং অন্যের ডিভাইসে নিজের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করলে কাজ শেষে লগআউট করুন। মনে রাখবেন, ইনকগনিটো মোড মূলত নিজের ডিভাইসে ব্রাউজিংয়ের ইতিহাস সংরক্ষণ সীমিত করে; এটি ওয়েবসাইট, ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী বা কর্মস্থলের নেটওয়ার্কের কাছ থেকে সব কার্যকলাপ আড়াল করে না।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗
