২৪ অক্টোবর ২০২৬, ২১:২৭ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

ব্যাংক সুদহার কমায় সঞ্চয়পত্রে ফিরছেন বিনিয়োগকারীরা

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:০৬ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:০৬

প্রধান সংবাদ

Dhaka News24 বাংলা

ব্যাংক সুদহার কমায় সঞ্চয়পত্রে ফিরছেন বিনিয়োগকারীরা

· অর্থনীতি

নিউজ ডেস্ক: দেশের ব্যাংক খাতে আমানতের সুদহার হ্রাস ও পুঁজিবাজারের মন্দা পরিস্থিতির কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে আবারো সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫৭ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতি মাসে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন সূচক নিয়ে ‘মেজর ইকোনমিক ইন্ডিকেটরস’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংস্থাটির সবশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মোট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ১৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকার। একই সময়ে সুদ-আসল পরিশোধ করা হয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ কোটি টাকা। ফলে এ দুই মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকায়। অথচ আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। যদিও গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধির এ সংখ্যা ছিল ঋণাত্মক ৬২ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংক খাতে মূল্যস্ফীতির তুলনায় আমানতের সুদহার কিছুটা কমে যাওয়া ও পুঁজিবাজারে টানা মন্দার ফলে আমানতকারীরা জমানো অর্থ নিরাপদ খাতে বিনিয়োগ করতে চাইছেন। শতভাগ সরকারি নিশ্চয়তা ও নির্দিষ্ট হারে মুনাফার কারণে ছোট ও মাঝারি বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে আবারো সঞ্চয়পত্রকেই বেছে নিয়েছেন। টানা তিন অর্থবছর নিট বিক্রি ঋণাত্মক থাকার পর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসে। চলতি অর্থবছরেও সে ধারা অব্যাহত রয়েছে।

মূল প্রতিবেদন: Dhaka News24

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ