ঢাকা: রাজনীতির উত্তরাধিকার আর নিজের মেধা ও দূরদর্শিতার মেলবন্ধনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। আজ ২৫ অক্টোবর, এই তরুণ ও মেধাবী আইনজীবীর জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্ম নেওয়া এই প্রজ্ঞাবান তরুণী আজ কেবল একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরিই নন, বরং নিজ যোগ্যতায় বিশ্বমঞ্চে এক অনন্য উচ্চতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
জাইমা রহমানের বেড়ে ওঠা এমন এক রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যা বাংলাদেশের ইতিহাসের গতিপথের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তার দাদা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে তার নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান জন্মসূত্রে এই বিশাল রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী হলেও তিনি নিজের জীবন ও ক্যারিয়ারের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন মেধা, আইন এবং জনসেবার কণ্টকাকীর্ণ অথচ মর্যাদাপূর্ণ ক্ষেত্রটিকে।
ঢাকার সেনানিবাসের শহিদ মইনুল রোডের পরিচিত আবহে শৈশবের একটি বড় সময় কেটেছে তার। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বাবা তারেক রহমানের কারামুক্তির পর পরিবারের সঙ্গে তিনিও লন্ডনে পাড়ি জমান। সুদীর্ঘ প্রবাস জীবনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে পটপরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি মাতা-পিতার সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর আগে তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকায় (আইএসডি) প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছিলেন। তিনি যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে সফলতার সঙ্গে আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পরপরই ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের সম্মানজনক প্রতিষ্ঠান ‘ইনার টেম্পল’ থেকে তিনি অর্জন করেন কাঙ্ক্ষিত ‘বার-অ্যাট-ল’ বা ব্যারিস্টার ডিগ্রি।