
ইসরায়েলের নির্বাচন: ফিলিস্তিনিদের মুক্তি ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন
আগামীকাল ২৭ অক্টোবর, ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এ নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, গাজার মানবিক বিপর্যয় এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রশ্ন। তাই এ নির্বাচনের তাৎপর্য শুধু ইসরায়েলি ভোটারদের প্রত্যাশা দিয়ে বিচার করলে চলবে না। দেখতে হবে, ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রহীনতা, দখলদারিত্ব ও অধিকারহীনতার অবসানে কোনো বাস্তব পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয় কি না।
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য নির্বাচনটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার পর গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ব্যাপক প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি ও অবকাঠামোগত ধ্বংস ডেকে এনেছে। খাদ্য, পানি ও চিকিৎসার সংকট ফিলিস্তিনিদের জীবনকে বিপন্ন করেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্নটি শুধু নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকবেন কি না, তা নয়; প্রশ্ন হলো, যে নীতির ধারাবাহিকতায় ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হয়েছে, নতুন সরকার তা পরিবর্তন করবে কি না।
ইসরায়েলের রাজনীতিতে নিরাপত্তা একটি প্রধান নির্বাচনী ইস্যু। ৭ অক্টোবরের হামলা দেশটির নিরাপত্তাব্যবস্থার গুরুতর ব্যর্থতা প্রকাশ করে। হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং বহু মানুষ জিম্মি হন। পরবর্তী যুদ্ধ ইসরায়েলি সমাজেও গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

