৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০০ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

চুনারুঘাটে পরীক্ষায় দেখে লিখতে বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষককে ঘুসি ॥ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

প্রধান সংবাদ

Habiganj Express বাংলা

চুনারুঘাটে পরীক্ষায় দেখে লিখতে বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষককে ঘুসি ॥ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

· শিক্ষা

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ পরীক্ষার হলে সহপাঠীর খাতা দেখে লিখতে বাধা দেওয়ায় এক শিক্ষককে ঘুসি মারার অভিযোগ উঠেছে চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। গতকাল তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর শাস্তি ও স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পরে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দফায় দফায় আলোচনার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম ফারহান মিয়া। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর ভুক্তভোগী শিক্ষক আল-আমিন।

স্থানীয় সূত্র ও প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে দশম শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষা চলাকালে ফারহান অন্য শিক্ষার্থীর খাতা দেখে লেখার চেষ্টা করেন। এ সময় শিক্ষক আল-আমিন তাকে বাধা দিলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফারহান শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং তাকে ঘুসি মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা ক্লাস বর্জন করে বিদ্যালয় মাঠ ও ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষোভ চলায় বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে আসেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী, চুনারুঘাট থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার রাফিউর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরিস্থিতি বিবেচনায় থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), র‌্যাব ও রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ ফয়সলও মোবাইলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে। পরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ থেকে সরে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু নাসের বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে আমি দ্রুত ইউএনওকে বিষয়টি জানাই এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিই। কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মূল প্রতিবেদন: Habiganj Express

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ