
আজ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন, ট্রাম্প প্রশাসনে বিপর্যয়ের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নির্ধারিত হতে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতার ভবিষ্যৎ সমীকরণ। সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ-কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে বড় ধরনের ক্ষমতার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাহী ক্ষমতা তার হাতে থাকলেও আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন, সরকারি ব্যয় এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কংগ্রেসের সহযোগিতা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ওপর তদন্ত ও নজরদারি বাড়াতে পারবেন। এমনকি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মুখেও ফেলতে পারবেন।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালে বিচারক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে প্রেসিডেন্টের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ অনুমোদন আরও কঠিন হবে। একই সঙ্গে, কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধা বাড়বে এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে রিপাবলিকান শিবিরেও নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালেই প্রেসিডেন্টের পদ বা নির্বাহী ক্ষমতা সরাসরি হারাবেন না ট্রাম্প। বরং তাঁকে আগামী দুই বছর বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ পরিচালনা করতে হবে। ফলে এবারের নির্বাচন শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যার লড়াই নয়, বরং ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং তার প্রশাসনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচির জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্নিপরীক্ষা।
জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে রিপাবলিকান পার্টি। একই সঙ্গে প্রতিনিধি পরিষদেও ডেমোক্র্যাটদের বড় ধরনের বিজয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন ২১৮টি আসন। বিভিন্ন জরিপের পূর্বাভাসে ডেমোক্র্যাটদের আসনসংখ্যা ২৩৭ পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা দেখানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা করছে রিপাবলিকান শিবির।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


