
পাহাড়তলী কলেজে অফুরন্ত অনিয়ম, মাউশির তদন্তে ধরা অধ্যক্ষ!
কলেজের শ্রেণিকক্ষ ও অডিটোরিয়াম ভাড়া দেওয়া হয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণে বসবাসের সুযোগ পেয়েছে বহিরাগত একটি পরিবারও। এসব ব্যবহারের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হলেও তা কলেজের তহবিলে জমা পড়েছে, এমন কোনো রসিদ বা ভাউচার দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে কলেজের আবাসিক সুবিধা ভোগ করেও দায়িত্ব ভাতা নিয়েছেন অধ্যক্ষ। সরকারি ইনক্রিমেন্টের পাশাপাশি কলেজের তহবিল থেকেও নিয়েছেন অতিরিক্ত অর্থ। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী কলেজে আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের এমন নানা চিত্র উঠে এসেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তদন্তে।
কলেজটির অধ্যক্ষ শ্যামল কান্তি মজুমদারের বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। ৩০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়াসহ প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে দেওয়া আর্থিক সুবিধার অর্থ সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়ার সুপারিশ রয়েছে। গত ৮ অক্টোবর প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
তদন্তে কলেজের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় গভর্নিং বডির অনুমোদন উপেক্ষা করার বিষয়টি উঠে এসেছে। কমিটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গভর্নিং বডিকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে অর্থের বিনিময়ে বহিরাগত একটি পরিবারকে কলেজ প্রাঙ্গণে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া হয়। একইভাবে কলেজের শ্রেণিকক্ষ ও অডিটোরিয়াম ভাড়ার বিনিময়ে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব খাত থেকে পাওয়া অর্থ কলেজের তহবিলে জমা দেওয়ার কোনো জমা রসিদ বা ভাউচার উপস্থাপন করতে পারেননি অধ্যক্ষ।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗