
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রায় মার্কিনিদের
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির জন্য যে রাজনৈতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে, তা কেবল কয়েকটি আসন হারানোর ঘটনা নয়; এটি ট্রাম্পের নেতৃত্ব, নীতি ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের বিরুদ্ধে আমেরিকান জনগণের একটি সুস্পষ্ট প্রতিবাদ। ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট, উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে নয়, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বলে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। মিসিসিপি ও আলাস্কার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের চূড়ান্ত ফল তখনো অপেক্ষমাণ। তবে সামগ্রিক রাজনৈতিক বার্তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট: ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ভোটার।
এই পরাজয়ের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। অর্থনৈতিক অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয়, ইরান যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা, অভিবাসননীতি, শুল্ক আরোপ এবং প্রশাসনের প্রতি অনাস্থা, সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে ট্রাম্পবিরোধী জনমত। তবে এবারের নির্বাচনের বিশেষ তাৎপর্য হলো, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ ও পররাষ্ট্রনীতির মূল্য যে শেষ পর্যন্ত সাধারণ আমেরিকান নাগরিককেও দিতে হয়, ভোটাররা তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল আমেরিকার অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশের অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা কমানো। অথচ ক্ষমতায় আসার পর তাঁর প্রশাসন ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নেওয়া এই যুদ্ধনীতি যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক সংঘাতের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে, যার অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক মূল্য ক্রমেই বাড়ছে।
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗