
মুখোশের আড়ালে মানুষ নাকি মানুষের আড়ালে মুখোশ?
কত মানুষ তো এক টুকরো বৈধ দলিল ছাড়াই বংশপরম্পরায় জমি বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ পরম আরামে ভোগদখল করে বেঁচে থাকে! অথচ আমাদের এই পরম শ্রদ্ধেয় ও দূরদর্শী খালেক মাস্টার এবং তাঁর গুণগ্রাহী অনুসারী পক্ষের আইনি অনুশাসন পালনের কী এক অনন্য ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পড়ে রয়েছে, যা সাধারণের চোখে পড়ে না! তারা আইনকে না মেনে অবহেলা করা তো দূরের কথা, বরং আইনের প্রতি এতটাই পরম অনুগত যে—একবারের জায়গায় একাধিকবার আইনকে মানতে গিয়ে নিজেদের সামান্য বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছেন! তাতে কী-ই বা আসে যায়? আইনেরও বোঝা উচিত, যে পক্ষ তাকে এত বেশি ভালোবাসে ও শ্রদ্ধার সাথে মেনে চলে, তাদের এই অতি-আনুগত্যকে একটু সহানুভূতির চোখেই দেখা শ্রেয়।
চলুন, এবার তাদের সেই আইনি অনুশাসনের চূড়ান্ত প্রকাশ—অর্থাৎ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নথিতে সংরক্ষিত জোড়া দলিল দুটিকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে তাঁদের এই পরম আইনপ্রীতির রূপরেখাটি একটু পরখ করা যাক।
নথিপত্র বলছে, ২৪শে জানুয়ারি ১৯৮৭। সেদিন আকুয়ার ওই ৬ শতাংশ জমির জন্য একটি প্রারম্ভিক দলিল (নং ৫৫৪৭) সম্পাদন করা হলো। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সচ্ছল নথিতে যেখানে সেই জমির মূল্য খোদ তাঁরাই পরম দায়িত্বে বসিয়েছিলেন ৯৫,০০০ টাকা! হিসাবটা খুবই পরিষ্কার—আকুয়া থেকে গোহাইলকান্দির মূল সম্পত্তির হাঁটাপথের দূরত্ব মাত্র চার থেকে পাঁচ মিনিট। সেই সুবাদে তৎকালীন আশির দশকের বাস্তব বাজারদরে ৬ শতাংশ জমির দাম ৯৫ হাজার টাকা হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক ও নিয়মমাফিক।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

