১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

টেকনাফে অর্থের বিনিময়ে ভোটার হচ্ছে রোহিঙ্গারা

সূত্র: Dainik Purbokone / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

টেকনাফ-উখিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় কৌশল পাল্টে রোহিঙ্গারা ভোটার হচ্ছে। স্থানীয় কতিপয় জনপ্রতিনিধি এবং অসাধু চক্রের সহায়তায় তারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গাদের মাঝে ভোটার হওয়ার তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠে যাওয়ার পর থেকে অসাধু চক্র রোহিঙ্গাদের ভোটার হতে নানাভাবে সহযোগিতা দিচ্ছেন। সহায়তাকারী চক্রটি রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময় ভোটার হওয়ার যোগ্য রোহিঙ্গা ছেলে/মেয়েরা ভুয়া ঠিকানা দেখিয়ে অহরহ ভোটার হয়েছে। স্থানীয়দের বাপ-মা সাজিয়ে রোহিঙ্গারা ভোটার তালিকায় ঢুকে পড়েছেন। এবার বয়োবৃদ্ধ রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার তৎপরতা দেখা গেছে। রোহিঙ্গাদের একটি অংশ টেকনাফ-উখিয়ার বাইরে গিয়েও ভুয়া পিতা-মাতা দেখিয়ে ভোটার হয়ে আইডি কার্ড সংগ্রহ করেছেন। পরে ওই আইডি ব্যবহার করে এখানকার অসাধু জনপ্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে ছেলে-মেয়েদের ভোটার তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করেছেন। অসাধু ব্যক্তিরা বয়স কমিয়ে বৃদ্ধ রোহিঙ্গাদের ভোটার হতে সহযোগিতা দিচ্ছেন

এমন অভিযোগ রয়েছে। শাহপরীরদ্বীপ বাজারপাড়া এলাকার বয়োবৃদ্ধ আমান উল্লাহ। বয়স অন্তত ৮০ বছরের কাছাকাছি। তিনি এই বয়সে ভোটার হচ্ছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাবরাং ইউনিয়ন থেকে তিনি ওয়ারিশ সনদ বানিয়েছেন। ওই সনদে বৃদ্ধ আমান উল্লাহকে মৃত সোনা আলী ও মৃত ফরিদা খাতুনের সন্তান উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়ারিশ সনদে উল্লেখিত দুই স্ত্রী দুই পুত্র এক কন্যার মধ্যে কেবল বৃদ্ধ আমান উল্লাহ বেঁচে আছেন। বাকী সকলে মারা গেছেন। তার মানে আমান উল্লাহর ভাই-বোনদের কেউ বেঁচে নেই। তিনি কিন্তু ভোটার হতে চাচ্ছেন হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা গ্রামে থেকে। এ কারণেই ১৪ সেপ্টেম্বর হ্নীলা ইউনিয়ন থেকে নাগরিকত্ব ও মৃত্যু সনদ, ভোটার তথ্য যাচাই-বাছাই প্রত্যয়ন, চাচা এবং ফুফুর এনআইডি নেই মর্মে কাগজ নিয়েছেন। ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল হ্নীলা ইউনিয়ন থেকে আমান উল্লাহর নামে জন্ম নিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হয়। এদিকে সাবরাং ইউনিয়ন থেকে সংগৃহীত ওয়ারিশ সনদে তার কোন ভাই ও বোন জীবিত নেই বলে উল্লেখ করা হয়। এরপরও হ্নীলা ইউনিয়ন ওই আমান উল্লাহকে চাচা এবং ফুফুর এনআইডি নাই মর্মে প্রত্যয়নপত্র কেমনে প্রদান করলেন?

স্থানীয়দের প্রশ্ন, ভোটার প্রত্যাশী বৃদ্ধ আমান উল্লাহ সত্যি সত্যি শাহপরীরদ্বীপের হলে তিনি ওই ইউনিয়ন থেকে নাগরিক ও জন্ম সনদ না নিয়ে হ্নীলা ইউনিয়ন থেকে কিভাবে এসব কিছু সংগ্রহ করলেন? যার নামে হ্নীলায় হোল্ডিং পর্যন্ত নেই। কোন যুক্তিতে ইউনিয়ন সংশ্লিষ্টরা তাকে বাংলাদেশি নাগরিক বানাতে সহায়তা করেছেন তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর