28 October 2026, 19:22 · Dhaka Independent news discovery
Main navigation
BangladeshPoliticsDistrictCrimeInternationalEconomyBusinessStock MarketSportsEntertainmentTechnologyScienceEducationHealthLifestyleEnvironmentAgricultureJobsReligionTravelOpinion & EditorialFact CheckGood NewsGeneral

নবীগঞ্জ থানা হাজতে “জয় বাংলা স্লোগান” দায়িত্বে অবহেলায় পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

Source: Habiganj Express / Bangladesh

সংবাদ থেকে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ থানা হাজতে থাকা অবস্থায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা শাহ তপুর ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও এক নারী কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া দুই পুলিশ সদস্য হলেন নবীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও নারী কনস্টেবল আফসানা মিমি। গতকাল শনিবার দুপুরে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে। সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করে থানার হাজতে রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে একই গ্রামের শাহ শুকুর আলীর ছেলে শাহ জুয়েল হাজতে থাকা শাহ তপুকে পানি দিতে যান। এ সময় তিনি কৌশলে নিজের মোবাইল ফোনে শাহ তপুর বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন। ওই ভিডিওতে শাহ তপুকে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। গত শুক্রবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থানা হাজতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। হাজতের মতো নিয়ন্ত্রিত স্থানে কীভাবে মোবাইল ফোন নিয়ে ভিডিও ধারণ করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে হাজতে রাখা হয়েছিল। এ সময় জুয়েল তাকে পানি দিতে গিয়ে কৌশলে ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় জুয়েলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও নারী কনস্টেবল আফসানা মিমিকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।

Original report: Habiganj Express

Read the complete and latest report on the publisher’s website.

View Original Article ↗

Related News

Latest

Trending