১৭ বছর ধরে নৌ—চলাচল বন্ধ রামপালে পলি জমে ভরাট যৌখালি নদী

সংবাদ থেকে
নিজস্ব সংবাদদাতা,ফয়লাহাট (রামপাল) বাগেরহাট॥ বিগত ২০০৯ সালে মোংলা-ঘষিয়াখালি আন্তর্জাতিক নৌ-চ্যানেলের সাথে রামপাল উপজেলার পাঁচটি নদী ও তিরাশি টি সরকারি মালিকানাধীন খালপুন. খনন করা হলেও যৌখালি নদীটি পুন. খনন করা হয়নি। একারনে নাব্যতা সংকটের পাশাপাশি বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৪/২ পোল্ডারটি হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে লবনপানির প্রভাবমুক্ত রাখতে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড পুর্ণাঙ্গ বেড়িবাধ নির্মান প্রকল্প হাতে নেয়। বিগত ১৯৮৪-৮৫ সালে প্রকল্পটি একেনেক সভায় পাশ হয়। এরপর বেড়িবাধের জন্য ভুমি অধিগ্রহন করে বাগেরহাটের খেগড়াঘাট- বিষনা, মোংলা বুড়িরডাঙ্গা থেকে বটিয়াঘাটার একটি অংশ ও রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নকে যুক্ত করে ফয়লাহাটে যৌখালি নদীর মুখে বাধ দিয়ে ৩৪/২ পোল্ডার নির্মান করে বাগেরহাট পানিউন্নয়ন বোর্ড।এ পোল্ডারের আওতায় বাগেরহাটের ফকিরহাট, বাগেরহাট সদর উপজেলার একটি বড় অংশ যুক্ত হয়। যৌখালি নদীর মুখে পোল্ডার নির্মানের পর এ উপজেলার ফয়লাহাট থেকে – গোবিন্দপুর-খানপুর টাটেরহাট সেতুপর্যন্ত আনুমানিক ৬ কিরোমিটার নদী পথ গতি হারিয়ে নব্যতা সংকটের মুখে পড়ে। এক সময় এ নদীটি পলি জমে খরাট হয়ে যায়। এরপর এ নদীতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সব ধরনের নৌ-চলাচল বন্ধ রয়েছে।
যৌখালিনদীর পাড় ঘেষে হেটে দেখা গেছে ফয়লাহাট পোল্ডার থেকে টাটেরহাট সেতু পর্যন্ত ভরাট হয়ে এখন শীর্ণকায় একটি খালে পরিনত হয়েছে। সুযোগ বুঝে এক শ্রেনির লোক ভরাট হওয়া নদীর জায়গা দখর করেনিয়ে কেউ কেউ বেড়ি বাধ দিয়ে ঘিরে মাছ চাষ করছে। আবার কেউ কেউ বাড়ি-ঘর নির্মান করে বসবাস করছে। অথচ এক সময় এ নদীদিয়ে খুলনার সাথে নৌ ুবানিজ্য ছিল। স্থানীয় মানুষ নৌকায় হাটে বাজারে আসা- যাওয়া করতো। এখন এ নদী মানুষ গরু-মহিষ নিয়ে সহজে হেটে পারাপার হয়। এ নদীর পাড় ঘেষে একটি অংশে রয়েছে নির্মানধীন খানজাহান আলী বিমান বন্দরের সীমানা প্রাচীর। ফয়লাহাট পোল্ডার নির্মানের পর থেকে পোল্ডারটি পরিচালনারজন্য পাউবোর কোনো কেয়ার টেকারছিল না। এ কারনে বেশির ভাগ সময় স্থানীয় একটি পক্ষ পরিচালনা করছে। সঠিক ভাবে পরিচালনানা করায় পোল্ডারটি এক সময় অকার্যকর হয়ে পড়ে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗




