নবীগঞ্জের হযরত শাহজালাল (রহ) আলিম মাদরাসার গাছ ও স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির অভিযোগ

সংবাদ থেকে
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকারি অনুমতি ছাড়াই নবীগঞ্জের হযরত শাহজালাল (রহ) আলিম মাদ্রাসার পরিবেশ বান্ধব মূল্যবান ২৩টি গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রারাসার অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন আহমদ এর বিরুদ্ধে। আর এই পরিবেশবান্ধব বা উপকারী গাছ কেটে ফেলায় মাদ্রাসার প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু গাছ বিক্রি করা হয়নি মাদ্রাসার জায়গাও মাদ্রাসা বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৮৩ সালের ১০ অক্টোবর নবীগঞ্জ উপজেলার রইছগঞ্জ হযরত শাহজালাল (রহ) আলিম মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর মাদ্রাসাটি এলাকায় শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে আসছেন। ২০১৯ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মাদ্রাসায় একটি ভবন নির্মাণ করেন। প্রকৃতিক পরিবেশে মাদ্রাসাটির পুরো ক্যাম্পাস। এর চারদিকে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা।
অভিযোগ উঠেছে বনবিভাগের অনুমতি ছাড়াই হটকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে মাদ্রাসার অধ্য শরীফ উদ্দিন আহমদ ও প্রাক্তণ অধ্যক্ষ এবং পরিচালনা কমিটি সভাপতি আবু হানিফা আহমদ হোসেন মাদ্রাসা ১৮/২০ বছরের পুরাতন ২৩টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ১লাখ ৪৫ হাজার টাকা দামে নোয়াগাও গ্রামের অনু মিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছেন। সম্প্রতি পরিবেশন বান্ধব ওই গাছগুলো কথিত নিলামে ক্রয়দাতা অনু মিয়া কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। গাছগুলো কেটে নেওয়ার ফলে মাদ্রাসার পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। যে গাছ প্রচন্ড গরমে শিক ও শিক্ষার্থীদের তীব্র রোদ থেকে রক্ষা করতো। সেই গাছগুলো কেটে ফেলায় কাসরুম ও প্রাঙ্গণে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে এবং অস্বস্থিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গাছ না থাকায় মাদ্রাসায় ধুলাবালি ও বায়ু দূষণ বেড়ে গেছে এবং প্রকৃতি ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। শুধু গাছ বিক্রিই নয়, মাদ্রাসার বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটি সাবেক সভাপতি মাদ্রাসার স্থাবর সম্পত্তির ২৪ শতাংশ বিক্রি করেছেন। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


