সমাজ-বাস্তবতার আখ্যান

সংবাদ থেকে
বর্তমান প্রজন্মের জীবনে মোবাইল ইন্টারনেট একদিকে যেমন সম্ভাবনার অসীম দুয়ার উন্মোচন করেছে। তথ্য প্রাপ্তির সহজলভ্যতা যেমন বেড়েছে, তেমনি এর অপব্যবহার অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে তুলেছে এক গভীর আসক্তির জালে। এই আসক্তি বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও মানবিক মূল্যবোধকে নিঃশব্দে ক্ষয় করে দিচ্ছে। এর বিপরীতে বইপাঠ হতে পারে এক শক্তিশালী প্রতিরোধমাধ্যম। যা কেবল চিন্তা করতে নয়, গভীরভাবে অনুভব করতেও শেখাবে এবং জাগিয়ে তুলবে মননের দীপ্তি ও মানবিকতার সুর। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাসাহিত্যের কালজয়ী কথাশিল্পী আবু ইসহাকের সাহিত্য আজও ভীষণ প্রাসঙ্গিক, অনুপ্রেরণাময় এবং সময়োপযোগী।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আবু ইসহাক এক মৃদুভাষী নিঃসঙ্গ লেখক। তাঁর রচনাসম্ভার বেশ স্বল্প হলেও বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের ইতিহাসে প্রভাব বিস্তারকারী এবং চিরস্মরণীয় ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠিত। ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর বর্তমান শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার শিরঙ্গল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪২ সালে স্থানীয় বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪৪ সালে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। পিতার আকস্মিক মৃত্যু তাঁর শিক্ষাজীবনে এক বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সংসারের দায়ভার কাঁধে তুলে নিতে বাধ্য হয়ে তিনি জীবিকার তাগিদে সিভিল সাপ্লাই বিভাগে পরিদর্শক পদে যোগ দেন।
এই সময় বিশ্বজুড়ে চলছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যার প্রভাব উপমহাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে গভীর সংকট সৃষ্টি করেছিল। তাঁর চাকরিটি স্থায়ী ছিল না, ফলে অল্পদিনের মধ্যেই সেটি হারাতে হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে তিনি পুলিশ বিভাগে উপপরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন। চাকরির পাশাপাশি তাঁর সাহিত্যচর্চাও চলতে থাকে। এই সময়েই তিনি তাঁর প্রথম উপন্যাস রচনা করেন, যদিও তা প্রকাশের সুযোগ পাননি প্রথমদিকে। ১৯৫১ সালে ‘মাহে নও’ পত্রিকায় উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হলেও গ্রন্থাকারে প্রকাশের জন্য কোনো প্রকাশক এগিয়ে আসেননি।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

