সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

সংবাদ থেকে
স্টাফ রিপোর্টার: দেশে ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের খুবই সীমিত কিছু এলাকায় সারের সাময়িক চাহিদা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোতে, যেখানে সীমান্তের ওপারেও চাষাবাদ হয়, সেখানে এই সংকট সৃষ্টির আশঙ্কায় সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আম ও লিচুবাগান, আধুনিক পদ্ধতিতে আদা উৎপাদন এলাকা এবং বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) বিভিন্ন কৃষি ও সেচ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিন দিনের সরকারি সফরে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে এসে তিনি দুই জেলার বিভিন্ন কৃষি উৎপাদন, সম্ভাবনাময় ফসল ও মাঠপর্যায়ের কৃষি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে ইউরিয়া সারের স্বাভাবিক চাহিদা বছরে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন এবং এর বিপরীতে সরকারি সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কিছু অসাধু চক্র যাতে সরকারি সার অপচয় বা পাচার করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সারের বণ্টন সহজ করতে প্রতিটি ইউনিয়নে অতিরিক্ত ১ জন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে চলতি মাস থেকেই সার বিতরণ শুরু হবে। একই সাথে সারের ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗




