
রংধনুর সাত রঙের রহস্য
বৃষ্টির পর আকাশের দিকে তাকিয়ে কখনো কি বিশাল রঙিন ধনুক দেখেছ? এক পাশে লাল, তার পাশে কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আসমানি আর বেগুনি, কী অপূর্ব সাজ! মনে হয়, কেউ যেন আকাশের বিশাল ক্যানভাসে সাতটি রং দিয়ে ছবি এঁকে দিয়েছে। ছোট-বড় সবাই রংধনু দেখতে ভালোবাসে। কেউ ছবি তোলে, কেউ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে, আবার কেউ ভাবতে থাকে, আকাশে এত সুন্দর রঙের সেতু তৈরি হলো কীভাবে? রংধনু কি সত্যিই আকাশে ঝুলে থাকে? কেউ কি সেখানে গিয়ে দাঁড়াতে পারে? চলো, আজ জেনে নেওয়া যাক রংধনুর সাত রঙের মজার রহস্য।
প্রথমেই একটি কথা জেনে রাখো। রংধনু তৈরি হতে দুটি জিনিসের প্রয়োজন, সূর্যের আলো আর বাতাসে ভেসে থাকা ছোট ছোট পানির ফোঁটা। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে যখন সূর্যের আলো পড়ে, তখনই রংধনু দেখা যায়। তবে বৃষ্টি চলার সময়ও এক পাশে সূর্যের আলো থাকলে রংধনু তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ আকাশে বৃষ্টির ফোঁটা আছে, আবার সূর্যের আলোও আছে, এমন পরিবেশ তৈরি হলেই রংধনু দেখার সুযোগ তৈরি হয়।
এবার একটি প্রশ্ন করি। সূর্যের আলো তো সাদা বা হালকা সাদা মনে হয়। তাহলে সেই আলো থেকে এত রং আসে কোথা থেকে? আসলে সূর্যের আলো দেখতে সাদা হলেও এর ভেতরে লুকিয়ে আছে অনেক রং। আমরা সাধারণ চোখে সেগুলো আলাদা করে দেখতে পাই না। কিন্তু বিশেষ কিছু অবস্থায় আলো ভেঙে বিভিন্ন রঙে ভাগ হয়ে যায়। তখনই আমরা দেখতে পাই লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আসমানি ও বেগুনি রং। অর্থাৎ রংধনুর রং বাইরে থেকে কেউ এনে দেয় না, সূর্যের আলোর মধ্যেই সেগুলো লুকিয়ে থাকে!
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

