
কম সুদর্শন পুরুষরাই সঙ্গীকে বেশি সুখী রাখে
সম্পর্কের গভীরতা, ভালোবাসা এবং মানসিক শান্তির সঙ্গে বাহ্যিক সৌন্দর্যের কোনো প্রত্যক্ষ সংযোগ নেই। যুগে যুগে রোমান্টিক গল্পে বা রূপকথার বইয়ে রাজপুত্রের অবয়ব কেমন হবে, তার একটা নির্দিষ্ট মাপকাঠি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব জীবনের রোমান্স বা দাম্পত্য সম্পর্ক কোনো রূপকথার পাতা নয়। মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের নানা সমীক্ষায় বারবার উঠে এসেছে এক চমৎকার তথ্য। যেসব পুরুষকে সমাজ প্রচলিত অর্থে খুব একটা সুদর্শন বা গ্ল্যামারাস মনে করা হয় না, তারাই বাস্তবে তাদের সঙ্গিনীদের বেশি ভালো ও সুখী রাখতে পারেন। রূপের মোহাচ্ছন্নতা কাটিয়ে গভীর সম্পর্কের আসল রসায়ন কোথায় লুকিয়ে আছে?
অতিরিক্ত সুন্দর বা আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় অবচেতনভাবেই এক ধরনের আত্মঅহংকার বা নার্সিসিজম কাজ করতে পারে। তারা সবসময় নিজের বাহ্যিক রূপ ও গুরুত্ব নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন। অন্যদিকে, তথাকথিত সাধারণ চেহারার পুরুষদের মধ্যে এই অহংকারের লেশমাত্র থাকে না। তারা নিজেদের বাহ্যিক রূপ নিয়ে অতিরিক্ত আত্মসচেতন নন বরং তারা মনোযোগ দেন ব্যক্তিত্বের বিকাশ, আচরণ এবং সম্পর্কের আন্তরিকতার ওপর। সঙ্গিনীর সঙ্গে তারা যখন মিশেন, তখন কোনো ভনিতা বা কৃত্রিমতা থাকে না। এই সহজ-সরল ও অহংকারহীন মনোভাবের কারণে নারীরা তাদের পাশে অনেক বেশি নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক এবং মানসিকভাবে মুক্ত বোধ করেন।
সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে কেবল দেখতে সুন্দর হওয়ার চেয়ে মনের মিল থাকাটা অনেক বেশি জরুরি। যেসব পুরুষের বাহ্যিক রূপ নিয়ে সমাজে বিশেষ কোনো মাতামাতি থাকে না, তারা সাধারণত নিজেদের সম্পর্কের ভিত মজবুত করার জন্য অনেক বেশি পরিশ্রম করেন। তারা কথার জাদুতে বা রূপের দ্যুতিতে সঙ্গিনীকে মুগ্ধ করার চেয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়াকে গুরুত্ব দেন। সঙ্গিনীর প্রতিটি ছোটোখাটো কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তার আবেগ ও অনুভূতির প্রতি সম্মান জানানো এবং যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পাশে থাকার মানসিকতা তাদের মধ্যে প্রবলভাবে কাজ করে। এই মানসিক সংযোগই মূলত একটি সম্পর্ককে ভেতর থেকে শক্ত ও সুখের করে তোলে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


