৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩২ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

লাখাইয়ের দেড়শ বছরের ঐতিহাসিক রাসবিহারী বাড়ি ধ্বংসের মুখে

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬

প্রধান সংবাদ

Habiganj Express বাংলা

লাখাইয়ের দেড়শ বছরের ঐতিহাসিক রাসবিহারী বাড়ি ধ্বংসের মুখে

· বাংলাদেশ

লাখাই প্রতিনিধি ॥ ব্রিটিশ আমলের গোড়ার দিকে ভারতের আসামের শিলচর থেকে পায়ে হেঁটে লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামে এসেছিলেন রাসবিহারী সাহার পূর্বপুরুষরা। কালক্রমে ব্যবসা-বাণিজ্যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে তারা প্রায় ২৪০ বিঘা জমির মালিক হন এবং এলাকায় গড়ে তোলেন একটি দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক বাড়ি। কিন্তু অযত্ন, অবহেলা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আজ ধ্বংসের পথে প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ শাসনামলে মোড়াকরি গ্রামে এসে পাট, কাঠ ও সুপারির ব্যবসা শুরু করেন রাসবিহারী সাহার পরিবার। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে ছোট রাসবিহারী সাহা ১৯৭৬ সালে নিজ বাড়িতেই মৃত্যুবরণ করেন। দেশভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভারতে চলে গেলেও তিনি এবং তার পরিবার দীর্ঘদিন এখানেই ছিলেন। কিন্তু ১৯৮৪-৮৫ সালের পর থেকে বাড়িটি প্রকৃত দেখভালের অভাবে বেওয়ারিশ অবস্থায় পড়ে থাকে। পোড়ামাটি, চুন ও সুরকি দিয়ে তৈরি পুরোনো দেয়াল আর স্থাপত্যশৈলীর ধ্বংসাবশেষ আজও অতীত আভিজাত্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও বর্তমানে এটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

এলাকার প্রবীণ ও সচেতন মহলের মতে, লাখাইয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এই অমূল্য স্মারকটি কেবল অতীতের নিদর্শন নয়, বরং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে এটি উপজেলাবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন সম্ভাবনার ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে। ইতিহাস ও সংস্কৃতির এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

মূল প্রতিবেদন: Habiganj Express

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ