ইসরায়েলে নির্বাচন: নেতানিয়াহুর ভাগ্য ঝুলছে, ঝুলছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎও

সংবাদ থেকে
ইসরায়েলের আজকের (২৭ অক্টোবর) সাধারণ নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদলের লড়াই নয়; এটি দেশটির নিরাপত্তানীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ফিলিস্তিন প্রশ্ন এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কি আবারও ক্ষমতায় ফিরবেন, নাকি সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বে বিরোধীরা নতুন সরকার গঠনের সুযোগ পাবেন, এই প্রশ্নের উত্তর এখনো অনিশ্চিত। তবে নির্বাচনের আগের জরিপগুলো যে ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাতে কোনো পক্ষের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে ভোটের ফলাফলের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে নির্বাচনের পরের রাজনৈতিক দর-কষাকষি।
১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১ আসন। সর্বশেষ প্রধান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জরিপে নেতানিয়াহুর জোট প্রায় ৫০ আসন এবং আইজেনকটের বিরোধী শিবির ৫২ থেকে ৫৬ আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আরব-প্রধান দলগুলোর সম্ভাব্য ১৪ থেকে ১৬ আসন এবং ছোট দলগুলোর অবস্থানই শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনের সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে। তবে জরিপ নির্বাচনের ফল নয়; অল্প ব্যবধানের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছোট দলগুলোর নির্বাচনী সীমা অতিক্রম করা কিংবা ব্যর্থ হওয়ার ঘটনাও আসনবণ্টনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে আসে। এরপর গাজায় দীর্ঘ সামরিক অভিযান, লেবানন ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সমালোচনা নেতানিয়াহুর নেতৃত্বকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন, আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন। বিপরীতে সমালোচকদের অভিযোগ, ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যর্থতার দায় এড়ানো, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা এবং রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার তাগিদ তাঁর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗







