অন্যায় আচরণের মুখোমুখি হলে কী করবেন?

সংবাদ থেকে
চলতি পথে কারও তিতা কথা কিংবা অপ্রীতিকর ব্যবহারে মন ভেঙে যাওয়া নতুন কিছু নয়। হুট করে পাওয়া এমন আঘাতেই আমাদের ভেতরে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে, মন চায় সাথে সাথেই কড়া জবাব দিয়ে প্রতিশোধ নিতে। কিন্তু চড়া কথার জবাবে চড়া কথা বলা কি সত্যিই সমস্যার সমাধান আনে? ইসলাম আমাদের শেখায় ক্ষোভের আগুনে ঘি না ঢেলে কীভাবে সংযম ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে পরিস্থিতি জয় করা যায়। জীবনের এই কঠিন মুহূর্তগুলোতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবন আমাদের সামনে তুলে ধরে এক চমৎকার আলোকবর্তিকা।
কারো অপ্রীতিকর আচরণের মুখোমুখি হলে প্রথমেই নিজের রাগ সামলে নেওয়া উচিত। কারণ রাগের মাথায় বলা কথা পরিস্থিতিকে কেবল জটিলই করে তোলে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তিই শক্তিশালী, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাই কেউ রাগিয়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে কিছুটা সময় থামা উচিত। এরপর ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিলে অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদ এড়ানো সম্ভব হয়।
খারাপ আচরণের বদলা খারাপ দিয়ে দেওয়া মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। সম্ভব হলে উত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ভালো ও মন্দ কখনো সমান হতে পারে না; তাই মন্দকে উত্তম দিয়ে প্রতিহত করুন, যাতে শত্রুও আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত হয়। মহানবী (স.)-এর জীবনেও এর বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে। একবার এক বেদুঈন অত্যন্ত রূঢ়ভাবে তাঁর চাদর টেনে ধরে পাওনা দাবি করলে নবীজি (স.) রেগে না গিয়ে মুচকি হেসে তাকে সাহায্য করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

