৬ নভেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

কবিকে কবিতা লিখতেই হয়

সূত্র: Suprobhat Bangladesh / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

কবি না হয়েও একজন মানুষ জীবন অতিবাহিত করতে পারেন, কিন্তু কবির পক্ষে কবিতাকে সম্পূর্ণ পরিহার করে নিজের অস্তিত্বের সঙ্গে সমঝোতা করা সহজ নয়। কবিতা তাঁর কাছে নিছক একটি সাহিত্যিক মাধ্যম নয়, নিজের অস্তিত্বকে অনুধাবন, সময়কে আত্মস্থ এবং ব্যক্তিগত অনুভবকে শিল্পে রূপান্তরের এক স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া। কবিতা লেখা মানে ভাষার প্রচলিত ব্যবহারের বাইরে গিয়ে শব্দের ভেতর নতুন অর্থের সম্ভাবনা আবিষ্কার করা। এই আবিষ্কারের পথ সর্বদা মসৃণ নয়। এখানে আছে আত্মজিজ্ঞাসা, নির্মাণের জটিলতা, প্রকাশের দ্বিধা এবং নিজস্ব শিল্পভাষা প্রতিষ্ঠার নিরন্তর সাধনা। বাংলা কবিতার নব্বইয়ের দশকের গুরুত্বপূর্ণ কবি মহীবুল আজিজ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এই সাধনার মধ্য দিয়ে নিজের কাব্যভুবন নির্মাণ করে চলেছেন। তাঁর সেই দীর্ঘ সৃজনযাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য সংকলন, ‘কাব্যসমগ্র ২’।

প্রায় পাঁচশো পৃষ্ঠার সুবিশাল এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে কবির তেরোটি কাব্যগ্রন্থের কবিতা। দীর্ঘ সময়ের কাব্যচর্চাকে একটি গ্রন্থের মলাটে ধারণ করার মধ্য দিয়ে ‘কাব্যসমগ্র ২’ পাঠকের সামনে কবির সৃষ্টিশীল অভিযাত্রার একটি বিস্তৃত পরিসর উন্মুক্ত করেছে। এই সংকলনের গুরুত্ব মূলত কবিতার সংখ্যাধিক্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মধ্য দিয়ে একজন কবির শিল্পবোধ, ভাষানির্মাণ, বিষয়-অন্বেষণ এবং কাব্যিক অভিপ্রায়ের ক্রমবিকাশ পাঠ করা সম্ভব। দীর্ঘ কয়েক দশকের কবিতায় একজন স্রষ্টা কীভাবে নিজের অভিজ্ঞতার পরিসরকে প্রসারিত করেন, সময়ের পরিবর্তনকে আত্মস্থ করেন এবং ব্যক্তিগত উপলব্ধির মধ্য দিয়ে বৃহত্তর জগৎকে চিনে নিতে চান, এই গ্রন্থ তার একটি উল্লেখযোগ্য দলিল। মহীবুল আজিজের কবিসত্তার প্রধান বৈশিষ্ট্য তাঁর গীতিময়তা, স্বতন্ত্র নিরীক্ষাপ্রবণতা এবং আত্মনির্ভর কাব্যভাষা নির্মাণের উচ্চাভিলাষী প্রয়াস। তাঁর কবিতায় ব্যক্তিমানসের অনুরণন যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সমকালীন নাগরিক চেতনা ও ইতিহাসের অভিঘাত। এই দুইয়ের সংযোগ তাঁর কাব্যদৃষ্টিকে দিয়েছে নিজস্বতা। বিশ্বসাহিত্যের বিচিত্র অনুষঙ্গকে বাংলা কবিতার আধুনিক প্রবাহের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার যে প্রবণতা তাঁর রচনায় লক্ষ করা যায়, তা নিছক অনুকরণের পর্যায়ে থেমে থাকে না; বরং নিজস্ব অনুভব ও প্রকাশরীতির মধ্য দিয়ে তা নতুন তাৎপর্য অর্জন করে।

মহীবুল আজিজের কবিতায় ইতিহাস কোনো স্থির অতীতের নাম নয়। ইতিহাস সেখানে কখনো স্মৃতির পুনরুত্থান, কখনো ধ্বংসের মধ্য থেকে নতুন জীবনের সম্ভাবনা, কখনো মানুষের চেতনায় অনবরত চলমান সংঘাত। তাঁর একটি কবিতায় উচ্চারিত হয়েছে:

মূল প্রতিবেদন: Suprobhat Bangladesh

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর